Keep and Share logo     Log In  |  Mobile View  |  Help  
 
Visiting
 
Select a Color
   
 

Creation date: Jan 27, 2023 6:36am     Last modified date: Jan 27, 2023 6:36am   Last visit date: May 19, 2024 11:54am
1 / 20 posts
Jan 27, 2023  ( 1 post )  
1/27/2023
6:36am
Santo SEo (seosanto7)

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী জুন মাসে স্বপ্নের ট্রেন আসবে কক্সবাজার। ইতোমধ্যে এ প্রকল্পের ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। বাকি ১০ শতাংশের কাজ শেষ হবে জুনের মধ্যে।

চট্টগ্রামের দোহাজারি থেকে কক্সবাজারের রামু হয়ে ঘুমধুম পর্যন্ত রেললাইন প্রকল্পের কাজ শেষ যোগাযোগে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে।

শুধু যোগাযোগে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে এমনটি নয়, আধুনিক স্থাপত্যশিল্পে নির্মিত রেল স্টেশনের ভবনগুলোও পর্যটকদের কাছে নতুন আকর্ষণ তৈরি করবে এমন আশাবাদ সংশ্লিষ্টদের।

প্রবাসী সেবা 

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র

মেট্রোরেল ঢাকা 

বঙ্গবন্ধু টানেল 

কর্ণফুলি টানেল 

মডেল মসজিদ বাংলাদেশ 

 

photo

 

শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’ নামে ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করা একটি ছবি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ছবিটির ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, ‘ইউরোপ, আমেরিকা নয় এটি বাংলাদেশের কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন। ’

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পের সার্বিক কাজ ৯০ শতাংশ শেষ। বাকি ১০ শতাংশের কাজ শেষ হবে জুনের মধ্যে। এমনই আশাবাদ প্রকল্পটির ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স গ্রুপের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. আহমেদ সূফীর।

রেলওয়ের প্রকল্প সুত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালে দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার ও রামু থেকে মিয়ানমার সীমান্ত ঘুমধুম পর্যন্ত ১২৮ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প নেওয়া হয়। পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ করার পাশাপাশি মিয়ানমারসহ ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ের সঙ্গে বাংলাদেশকে যুক্ত করা এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। তবে কক্সবাজার থেকে মিয়ানমার পর্যন্ত ২৮ কিলোমিটারের কাজ আপাতত হচ্ছে না।  

 

আধুনিক সিটি পূর্বাচল  

বাংলাদেশের মেগা প্রকল্প 

বাংলাদেশের উন্নয়নমূলক প্রকল্প 

বাংলাদেশের শিক্ষার উন্নয়ন 

বাংলাদেশের চিকিৎসার উন্নয়ন 

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা 

বাংলাদেশের কৃষি 

 

চট্টগ্রামের দোহাজারি থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১শ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণে ২০১৬ সালে প্রকল্প প্রস্তাব সংশোধন করে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি টাকা করা হয়।

দোহাজারি কক্সবাজার রেলওয়ে প্রজেক্টের সিনিয়র ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ারিং রাসেল মিয়া জানান, প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার সময়সীমা ২০২৪ সাল হলেও আমাদের ধারণা ২০২৩ সালের জুনের আগেই কাজ শেষ হবে।

এর আগে ২০১৮ সালের জুলাইয়ে প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন (সিআরইসি) ও বাংলাদেশের তমা কনস্ট্রাকশন কোম্পানি এবং চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশন (সিসিইসিসি) ও বাংলাদেশের ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড পৃথক দুই ভাগে কাজটি করছে। এটি সরকারের অগ্রাধিকার (ফাস্ট ট্র্যাক) প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত।

 

বাংলাদেশের মৎস্য খাত 

কক্সাবাজার বিমানবন্দর রানওয়ে 

বাংলাদেশের সড়ক উন্নয়ন 

বিমানবন্দর তৃতীয় টার্মিনাল 

ঢাকা কক্সবাজার রেল 

 

দোহাজারি-কক্সবাজার রেল প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ মুফিজুর রহমান জানান, এ প্রকল্পের কাজ দুটি লটে হচ্ছে। প্রথম লটের সব কাজই শেষ। বাকি কাজগুলো আশা করছি জুন মাসে শেষ করতে পারব।

তিনি জানান, দোহাজারি-কক্সবাজার রেললাইনের দুটি অংশের মধ্যে কক্সবাজার অংশে ৫১ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণের সব ধরনের কাজ শেষ বলা যায়।

দোহাজারি কক্সবাজার রেলওয়ে প্রজেক্টের সিনিয়র ম্যানেজার মো. আনোয়ার হোসাইন জানান, রেললাইনের বনাঞ্চলের ভেতরে হাতি চলাচলের জন্য দুটি আন্ডারপাসের কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্পের সবগুলোর সেতুর স্প্যান ও পিলারের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। ২১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে কক্সবাজারে ঝিনুকের আদলে একটি আইকনিক রেলওয়ে স্টেশন ভবন নির্মিত হচ্ছে।

কক্সবাজারের আইকনিক স্টেশনসহ সব মিলিয়ে নয়টি স্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে রেলপথটিতে। কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের দিকে পরের স্টেশনটি রামু স্টেশন। এরপর পর্যায়ক্রমে রয়েছে ইসলামাবাদ, ডুলাহাজারা, চকরিয়া, হারবাং, লোহাগড়া, সাতকানিয়া ও দোহাজারী রেলওয়ে স্টেশন। চট্টগ্রামের দোহাজারি-কক্সবাজার রেললাইন, যা ছিল কক্সবাজারবাসীর জন্য স্বপ্নের মতো। এখন বাস্তবায়নের পথে।

চট্টগ্রাম বন্দর পোর্ট 

শেখ হাসিনা 

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে

 

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি নির্মাণাধীন আইকনিক স্টেশন ও রেললাইন ঘুরে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন জানান, জুনে কক্সবাজারে আসবে স্বপ্নের রেল। আধুনিক কোচগুলো যুক্ত হবে এই রেলপথে। আমাদের বর্তমানে যে কোচগুলো আছে সেগুলোর জানালা ছোট, এখানে বড় জানালার আধুনিক সুবিধা সমৃদ্ধ কোচ যুক্ত করা হবে। যাতে রেলে বসে পুরো প্রকৃতি উপভোগ করা যায়।

কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্টহাউস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম সিকদার বাংলানিউজকে বলেন, কক্সবাজারবাসীর দীর্ঘদিনের প্রতিক্ষিত রেল চালু হলে বদলে যাবে কক্সবাজারের চেহারা। যোগাযোগে সৃষ্টি হবে নতুন দিগন্ত। যোগাযোগ ব্যবস্থার সহজলভ্যতার কারণে কক্সবাজারে পর্যটক আগমন অনেকগুন বেড়ে যাবে।